RSS

Category Archives: মিষ্টি ও মিষ্টিজাত

রসকদম

উপকরণঃ
১. ছানা ১ কাপ
২. মাওয়া ১ কাপ (মিষ্টির দোকানেরটা)
৩. চিনি আধা কাপ
৪. চিনির দানা প্রয়োজনমতো

প্রণালীঃ ছানা, মাওয়া ও চিনি একসঙ্গে মিলিয়ে জ্বাল করতে হবে। হালুয়ার মতো দলা বেঁধে উঠলে এবং প্যান থেকে ছেড়ে এলে নামিয়ে নিতে হবে। হালকা গরম থাকতে থাকতে ছোট ছোট গোল্লা বানিয়ে চিনির দানার মধ্যে গড়িয়ে নিতে হবে। গোল্লা চালানোর সময় হাতে শিরা লাগিয়ে নিতে হবে। পরে ঠান্ডা হলে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

মাওয়া তৈরিঃ
গুঁড়া দুধ আধা কাপ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ২৬ মে ২০০৯

 

জাফরানওয়ালা লাড্ডু

উপকরণঃ
১. ছানা ১ কাপ
২. কনডেন্সড মিল্ক আধা কাপ
৩. কেওড়ার পানি আধা চা চামচ
৪. পেস্তাকুচি ১ টেবিল চামচ
৫. এলাচগুঁড়া সিকি চা চামচ
৬. জাফরান আধা চা চামচ
(১ টেবিল চামচ গরম দুধের মধ্যে ভেজানো)

প্রণালীঃ ছানা খুব করে মথে প্যানে নিয়ে কনডেন্সড মিল্ক মিলিয়ে চুলায় দিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল করতে হবে। মিশ্রণ প্যান থেকে ছেড়ে এলে কেওড়া, এলাচগুঁড়া ও জাফরান মিলিয়ে দিতে হবে। পরে পেস্তাকুচিটা মিলিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম থাকতে থাকতে লাড্ডু বানাতে হবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ২৬ মে ২০০৯

 

পানতোয়া

উপকরণঃ
১. ছানা ১ কাপ
২. ময়দা ২ টেবিল চামচ
৩. মাওয়া সেট করা সিকি কাপ
৪. ঘি ১ টেবিল চামচ
৫. চিনি ২ টেবিল চামচ
৬. বেকিং পাউডার ১ চিমটি

প্রণালীঃ
ছানা ভালোভাবে মাওয়া দিয়ে মথে নিতে হবে। ময়দায় ঘির ময়ান দিয়ে চিনি মেলাতে হবে। প্রথমে অল্প ছানার সঙ্গে বেকিং পাউডারটা মিলিয়ে পরে সব ছানার সঙ্গে মেলাতে হবে। ছানা, মাওয়া ও ময়দার মিশ্রণ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মসৃণ খামি বানাতে হবে। ইচ্ছামতো ছোট বা বড় বল বা লম্বা পানতোয়া হালকা বাদামি করে ভেজে তুলতে হবে। পানতোয়া বানানোর সময় ভেতরে পুর দিতে হবে। ভাজা পানতোয়া শিরার মধ্যে দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল করতে হবে। ৫-৬ ঘন্টা পর পরিবেশন করুন।

পুরের জন্য
১ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ মাওয়া এবং আধা চা চামচ এলাচগুঁড়া সব একত্রে মিলিয়ে নিয়ে পুর বানতে হবে।

শিরার জন্য
৩ কাপ চিনি ও ৫ কাপ পানি মিশিয়ে সেই চিনি পানি জ্বাল করে পাতলা শিরা বানাতে হবে। প্রয়োজন হলে ১ টেবিল চামচ দুধ দিয়ে ময়লা কেটে নিতে হবে।

মাওয়া তৈরিঃ
গুঁড়া দুধ আধা কাপ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ১ চা চামচ। সব একসঙ্গে মিলিয়ে চালনি দিয়ে চেলে নিতে হবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ২৬ মে ২০০৯

 

ছানার সন্দেশ

উপকরণঃ
১. ছানা ১ কাপ
২. গুঁড়া চিনি আধা কাপ
৩. এলাচগুঁড়া ১ চিমটি
৪. পেস্তা-কিসমিস সাজানোর জন্য

প্রণালীঃ ছানা, চিনি ও এলাচগুঁড়া একসঙ্গে জ্বাল করে নিতে হবে। চিনি গলে গেলে নামিয়ে চারকোনা ডিসে সেট করে সেপ (আকার) দিতে হবে। সেপ ইচ্ছামতো করা যাবে। এরপর সাজিয়ে পরিবেশন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ২৬ মে ২০০৯

 

আম-ছানার পুডিং

উপকরণ : ছানা এক কাপ, ডিমের সাদা অংশ (দুটি ডিমের), গুঁড়ো দুধ- আধা কাপ, চিনি-আধা কাপ, পানি-আধা কাপ, এলাচগুঁড়া চা চামচের চার ভাগের এক ভাগ ও পাকা আমের টুকরা (ছোট ছোট) দেড় কাপ।

প্রণালী : আম ছাড়া ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। পুডিংয়ের ছাঁচে ক্যারামেল করে নিতে হবে। ব্লেন্ড করা উপকরণে আমের টুকরা মিলিয়ে ছাঁচে ঢেলে ভাপে জমিয়ে নিতে হবে। এতে ৩০-৪৫ মিনিট সময় লাগবে। ডিশে উল্টে নিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৬ জুলাই ২০১০

 

আমের কাস্টার্ড

উপকরণ : পানি-তিন কাপ, গুঁড়ো দুধ-দুই কাপ, চিনি এক কাপ, কাস্টার্ড পাউডার-এক টেবিল চামচ, কর্ন ফ্লাওয়ার-এক টেবিল চামচ, ভ্যানিলা এসেন্স-আধা চা চামচ, ডিমের কুসুম দুটি।

প্রণালী : ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে প্যানে ঢেলে নিতে হবে। জ্বাল করতে করতে ঘন হয়ে উঠলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। পাকা আমের টুকরা তিন কাপ, ম্যাংগো জেলো ও সফট ক্রিম সাজানোর জন্য ডিশে এক লেয়ার আম, এক লেয়ার কাস্টার্ড ওইভাবে তিন থেকে চার লেয়ার করে সেট করে ওপরে জমানো জেলো ও ক্রিম দিয়ে সাজিয়ে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন ।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৬ জুলাই ২০১০

 

রাজভোগ

উপকরণ: ছানা ১ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ২ চা-চামচ।

প্রণালি: ছানা অল্প মথে কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে মাখাতে হবে। রাজভোগের আকার করে ৭-৮টি গোল্লা বানাতে হবে। কিশমিশ ও ক্ষীরের পুর দিতে হবে।

শিরা: ১ কেজি চিনি ও ৭ কাপ পানি দিয়ে শিরা করে আধা কাপ দুধ দিয়ে দুবার ময়লা কাটিয়ে নিতে হবে। শিরায় রাজভোগ দিয়ে ১০ মিনিট বেশি জ্বালে ফুটিয়ে ১ কাপ গরম পানি দিয়ে আরও ১০ মিনিট বেশি জ্বালে ঢেকে ফোটাতে হবে। আবারও ১ কাপ গরম পানি দিয়ে অল্প জ্বালে ৫-৬ মিনিট ঢেকে ফুটিয়ে চুলা বন্ধ করে দিতে হবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১০ এপ্রিল ২০১২

 

গাজরের শাহি লাড্ডু

উপকরণ: গাজর ৫০০ গ্রাম, ঘি সিকি কাপ, চিনি ১ কাপ, কনডেন্সড মিল্ক ১ কাপ, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, এলাচগুঁড়া আধা চা-চামচ (টেলে গুঁড়া করা), কিশমিশ ২ টেবিল-চামচ, বাদামকুচি ২ টেবিল-চামচ, পেস্তাকুচি ২ টেবিল-চামচ।

প্রণালি: গাজর ধুয়ে ছিলে নিন। কুরুনিতে মিহি ঝুড়ি করুন। ফ্রাইপ্যানে ঘি গরম করে ঝুড়ি করা গাজর মাঝারি আঁচে ৫ থেকে ১০ মিনিট ভাজুন। এবার চুলার আঁচ কমিয়ে ঢেকে রাখুন। পাঁচ মিনিট পর ঢাকনা খুলে কিছুক্ষণ নেড়ে আবার ঢেকে রাখুন। ভাপে গাজর সেদ্ধ হয়ে এলে চিনি ও কনডেন্সড মিল্ক দিয়ে অনবরত নাড়তে থাকুন। নাড়তে নাড়তে যখন শুকিয়ে আঠালো হয়ে আসবে, তখন কিশমিশ, বাদামকুচি, পেস্তাকুচি দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। এলাচগুঁড়া ও গুঁড়া দুধ দিয়ে ভালো করে নেড়ে গাজরের সঙ্গে মেশাতে হবে। সম্পূর্ণভাবে মিশে গেলে নাড়তে যখন একটু কষ্ট হবে বা ভারী মনে হবে, তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিন। গরম থাকতেই একটি পাত্রে উঠিয়ে লাড্ডুর জন্য আলাদা ভাগে রাখুন। হাতে পানি লাগিয়ে একেকটি ভাগ তালুতে নিয়ে লাড্ডুর আকারে তৈরি করে পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে রাখুন। ঠান্ডা হলে লাড্ডু পরিবেশন করুন।

এই লাড্ডু পাঁচ থেকে সাত দিন বায়ুরোধী বক্সে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখা যাবে। তবে ফ্রিজ থেকে বের করে ২০ সেকেন্ড মাইক্রো ওভেনে গরম করে পরিবেশন করতে পারেন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১০ এপ্রিল ২০১২

 

মুগডালের লাড্ডু

উপকরণ: মুগডাল ৫০০ গ্রাম, মাখন ২০০ গ্রাম, চিনি ২ কাপ (পাটায় পিষে গুঁড়া করা)। গুঁড়া দুধ (যদি প্রয়োজন হয়) আধা কাপ।

প্রণালি: মুগডাল ঝেড়ে-বেছে, ধুয়ে ৭-৮ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর আবার ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। চুলায় আঁচ কমিয়ে কড়াই বা ফ্রাইপ্যানে মুগডাল ভেজে নিন। বেশ ভালোভাবে ভাজা হলে ঠান্ডা করে পাটায় মিহি গুঁড়া করে নিন। একবার চেলে নিয়ে চালুনিতে যে অবশিষ্টাংশ থাকবে, তা আবারও মিহি করে পিষে নিন। কড়াই বা ফ্রাইপ্যানে মাখন গরম করে ডালের গুঁড়া ভালো করে ভেজে নিন। লালচে হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে গুঁড়া করা চিনি মিশিয়ে নাড়তে হবে। তারপর যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নিন। চুলা থেকে নামিয়ে হাতের তালুতে একটু একটু করে নিয়ে লাড্ডুর আকারে তৈরি করে পরিবেশন পাত্রে রাখুন। ইচ্ছে হলে একটু মাওয়া ছিটিয়ে দিতে পারেন।

মুগডালের লাড্ডুও বেসনের লাড্ডুর মতো একইভাবে রেফ্রিজারেটরে রেখে ১০-১২ দিন সংরক্ষণ করা যাবে।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১০ এপ্রিল ২০১২

 

বেসনের লাড্ডু

উপকরণ: বুটের ডাল থেকে ভাঙিয়ে নেওয়া বেসন-২ কাপ, কাজুবাদাম টেলে নিয়ে হালকা ভেঙে নিতে হবে ৭টি, ঘি আধা কাপ, পাটায় পিষে চিনিগুঁড়া করে নিতে হবে ১ কাপ, এলাচ টেলে গুঁড়া করা আধা চা-চামচ, রুপালি তবক সাজানোর জন্য।

প্রণালি: ২ কাপ বেসন চালুনি দিয়ে চেলে আলাদা করে রাখুন। কড়াইয়ে ঘি গরম করে চুলার জ্বাল কমিয়ে বেসন ভালো করে ভাজতে হবে। ভাজতে ভাজতে যখন সুন্দর ঘ্রাণ ছড়াবে, তখন কাজুবাদাম ও এলাচগুঁড়া দিয়ে নেড়ে বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে সামান্য ঠান্ডা করে নিন। বেসন ভাজার জন্য আনুমানিক ৩০ মিনিট লাগবে। তবে যেন পুড়ে না যায়, তাই অনবরত নাড়তে হবে। ভাজা বেসনে চিনি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। সবশেষে হাতের তালুতে বেসনের মিশ্রণ নিয়ে লাড্ডুর আকারে তৈরি করুন। ওপরে রুপার তবক ছড়িয়ে পরিবেশন।

এই লাড্ডু আগে বানিয়ে বায়ুরোধী বক্সে রেখে দিন। পরিবেশনের আগে তা পরিবেশন পাত্রে বরে করে সাজিয়ে রাখুন। বেসনের লাড্ডু দুই সপ্তাহ পর্যন্ত বায়ুরোধী বাক্সে ফ্রিজে রেখে দিলে ভালো থাকবে। ফ্রিজ থেকে বের করে মাইক্রো ওয়েভে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড গরম করে পরে খাবেন।

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১০ এপ্রিল ২০১২

 
 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 219 other followers